আজকে জানুন ডিসেম্বর ২০২৪-এর এলপিজি গ্যাসের বর্তমান মূল্য, দাম পরিবর্তনের কারণ, এবং বিশ্ববাজারের প্রভাব। বাংলাদেশে গ্যাসের দামের উপর বিস্তারিত তথ্য।

বর্তমান এলপিজি গ্যাসের দাম বাংলাদেশে (ডিসেম্বর ২০২৪)
এলপিজি গ্যাস বাংলাদেশের গৃহস্থালি এবং শিল্প খাতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি। এর মূল্য বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে পরিবর্তিত হয়। ডিসেম্বর ২০২৪-এ এলপিজির মূল্য এবং এর পেছনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বর্তমান মূল্য তালিকা (ডিসেম্বর ২০২৪)
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (BERC) ডিসেম্বর মাসে এলপিজি গ্যাসের নিম্নলিখিত মূল্য নির্ধারণ করেছে:
Read More In This Related
- NSI-এর অভিযান, সফলতা ও বিশ্বপরিচয়: বাংলাদেশ গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তৎপরতার বিশ্লেষণ
- NSI-এর ইতিহাস ও কার্যক্রম: বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পূর্ণ বিবরণ
- NSI-এর শীর্ষ ১০ অভিযান ও কার্যক্রম: ২০১৫–২০২৫ সালের আপডেটসহ বিশ্লেষণ
- NSI-এর শীর্ষ ১০ অভিযান ও কার্যক্রম: ২০২৪-২০২৫ সালের আপডেটসহ বিশ্লেষণ
- NSI এর কার্যক্রম: ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা ও বিতর্ক
- ১২ কেজি সিলিন্ডার: ১,৪৫৫ টাকা
- ১৫ কেজি সিলিন্ডার: ১,৬২১ টাকা
- ৩০ কেজি সিলিন্ডার: ৩,১২৮ টাকা
আগের মাসের তুলনায় কিছুটা কমানো হয়েছে। তবে বৈশ্বিক বাজারে গ্যাসের দামের ওঠানামা ও পরিবহন খরচ এসব দামের উপর প্রভাব ফেলেছে।
গ্যাসের দামের উপর কারা সিদ্ধান্ত নেয়?
বাংলাদেশে এলপিজি গ্যাসের দামের নিয়ন্ত্রণ মূলত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (BERC) কর্তৃক পরিচালিত হয়। বিশ্ববাজারের মূল্যের উপর ভিত্তি করে প্রতিমাসে দাম নির্ধারণ করা হয়। সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইস (CP) এর উপর নির্ভর করে এলপিজি গ্যাসের দাম ঠিক হয় যা বাংলাদেশে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
বিশ্ববাজারে গ্যাসের দামের ওঠানামা
বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম নিয়মিত পরিবর্তিত হয়।
- বৃদ্ধির কারণ: সরবরাহ ঘাটতি, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং চাহিদার বৃদ্ধি।
- হ্রাসের কারণ: উৎপাদন বাড়ানো এবং জ্বালানির বিকল্প উৎস ব্যবহার।
বর্তমানে বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও ভবিষ্যতে এটি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস আমদানি
বাংলাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস আমদানির প্রধান উৎস হলো মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে সৌদি আরব এবং কুয়েত।
- গ্যাস আমদানি মূলত চট্টগ্রাম বন্দর এবং মংলা বন্দর দিয়ে করা হয়।
- নতুন মাতারবাড়ি এলপিজি টার্মিনাল চালু হলে আমদানি খরচ কমতে পারে।
বাজারের প্রধান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশে বিভিন্ন কোম্পানি এলপিজি সরবরাহ করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- বসুন্ধরা এলপিজি
- যমুনা এলপিজি
- প্রাণ এলপিজি
এসব কোম্পানি বিইআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করে।
ভবিষ্যৎ দামের পূর্বাভাস (২০২৫)
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বাড়তে পারে। বাংলাদেশ সরকার যদি এলপিজি উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম হয় বা আমদানির খরচ কমাতে পারে, তবে দেশীয় বাজারে দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এলপিজি গ্যাসের দামের উপর নিয়মিত নজর রাখা এবং সাশ্রয়ী ব্যবহারের কৌশল জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নীতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মাধ্যমে গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।










